মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ইতিহাস ও কার্যাবলি

ইতিহাস

বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশে কর্মসংস্থান শুধুমাত্র দেশের বেকারত্ব হ্রাসই করে নাএকই সাথে বিদেশে কর্মরত প্রবাসীদের প্রেরণকৃত রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও কর্মী প্রেরণ বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশসমূহের সাথে সমঝোতা সৃষ্টি হয়। তারই ধারাবাহিকতায় সত্তর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে বাংলাদেশি কর্মী গমন শুরু হয়। শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার ২০০১ সালের ২০ ডিসেম্বর তারিখে ‘প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়’ নামে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করে। এ মন্ত্রণালয় গঠনের উদ্দেশ্য হলো নিরাপদ অভিবাসন, প্রবাসী ও বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টি এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সম্প্রসারণ। এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২৭টি দেশে ২৯টি শ্রম কল্যাণ উইং শ্রম বাজার সম্প্রসারণ, সুসংহতকরনসহ বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।  রেমিটেন্সের প্রবাহ বৃদ্ধি এবং দেশের সকল অঞ্চল হতে কর্মীদের বিদেশে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে সকল অভিবাসী কর্মীর কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। এর সকল সপ্তর/সংস্থাকে একই ভবনে নিয়ে ৭১-৭২, পুরাতন এলিফ্যান্ট রোড, ইস্কাটন গার্ডেন, রমনা, ঢাকা-১০০০  এ অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।   

 

 

১.১ রূপকল্প (Vision):

 

প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ ও অধিকার নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ অভিবাসন এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন।

 

১.২ অভিলক্ষ্য (Mission):

 

বিশ্ব শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে যথাযথ কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান এবং দক্ষ অভিবাসন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বেকার জনগোষ্ঠীর বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং

অভিবাসী কর্মীদের অধিকতর কল্যাণ ও অধিকার নিশ্চিত করা।

 

১.৪ কার্যাবলি (Functions):

 

       ১. প্রবাসী কর্মীদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণ ও তাদের অধিকার সংরক্ষণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দেশের

          আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা;

 

       ২. বিদ্যমান শ্রমবাজার সুসংহতকরণ, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান ও সম্প্রসারণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান ব্যবস্থাপনা;

 

       ৩. বৈদেশিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে সমন্বিত প্রশিক্ষণ পরিচালনা ও সার্বিক প্রশিক্ষণ

           ব্যবস্থাকে সময়পোযোগীকরণ;

 

       ৪. রিক্রুটিং এজেন্ট এর লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্পর্কিত যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদন;

 

       ৫. প্রবাসী বাংলাদেশিদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণসহ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল হতে মৃত কর্মীর মরদেহ দেশে

          আনয়ন ও দাফন সংক্রান্ত কার্যাবলিসহ তার পরিবার ও বিপদগ্রস্ত প্রবাসী কর্মীদের আর্থিক ও প্রয়োজনে আইনী সহায়তা

         প্রদান ও তদারকি এবং প্রবাসী কর্মীদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ও অন্যান্য কল্যাণ মূলক কাজ

 

       ৬. অভিবাসন সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থা, অন্যান্য দেশের সরকার ও সংস্থার যৌথ উদ্যোগে কর্মী প্রেরণ এবং প্রশিক্ষণ

         সংক্রান্ত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর; এবং

               ৭.  প্রবাসীদের বিশেষ নাগরিক সুবিধা প্রদান ও বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এন.আর.বি) নির্বাচন।

 

উল্লেখযোগ্য সাফল্য


Share with :

Facebook Facebook